Sanowar Hossain


কেমন ছিলে তুমি????

বালির(ছদ্মনাম) বয়স ষোড়শ বসর, সুতরাং তাহার দেহায়তন প্রগল ভবয়সীরমণীদিগের ন্যায় অদ্যাপি সম্পূর্ণতা প্রাপ্ত হয় নাইদেহায়তন ওমুখোবয়বে কিঞ্চিত পরিমান বালিকা ভাব ছিল সুগঠিত সুগোল ললাট,প্রশস্থ নহে, অথচঅপ্রশস্থ নহে, নিশীথ- কৌমুদ্দীদিপ্ত নদীর ন্যায় প্রশান্ত ভাব প্রকাশক,পারশ্বে অতি নিবিড়- বর্ণ কুঞ্চিতালক সকল ভ্রু- যুগলে, কপোলে, গণ্ডে, অংসে, উরসে আসিয়া পরিয়াছে, মস্তকের পশ্চা ভাগে অন্ধকারময় কেশরাশি সুবিন্যাস্থ মুক্তাহারেগ্রথিত রহিয়াছে, ললাট তলে ভ্রু- যুগ সুবঙ্কিম, নিবিড়- বর্ণ  চিত্রাকরলিখিতব হইয়াও কিঞ্চিত সুক্ষাকার আর এক সূতো স্থুল হইলে দোষের হইত আপনি কি চঞ্চল চক্ষু ভালবাসেন ?  তবে বালি(ছদ্মনাম) আপনার মোনারঞ্জিনী হইতে পারিবেনা কারন আবালির(ছদ্মনাম)  চক্ষুঅতিশান্ত তাহাতে  ‘‘বিদ্যুন্দামস্ফুরনচকিত’’ কটাক্ষ নিক্ষেপন হইত না চক্ষু দুইটি প্রশস্থ, অতি সুঠাম, অতি শান্ত জ্যোতি আর চক্ষুরবর্ণ ঊষাকাল সূর্যোদয়ের কিঞ্চিত পূর্বে, চন্দ্রাস্তের সময় আকাশের যে কমল নীল বর্ণপ্রকাশ পায় সেইরূপ, সেই প্রশস্ত পরিষ্কার চোক্ষেযখন বালি(ছদ্মনাম) দৃষ্টি করতোতখন তাহাতে কিছুমাত্র কুটিলতা থাকতনা বালি(ছদ্মনাম) অপাঙ্গে অন্তঃদৃষ্টি করিতে জানিতনা,দৃষ্টিতে কেবল স্পষ্টতা আর সরলতা, দৃষ্টির সরলতাও বটে, মনের সরলতাও বটে, তবে যদিতাহার পানে কেহ চাহিয়া দেখিত, তবে তক্ষনা কমল পল্লব দুখানি পরিতনা বালি(ছদ্মনাম)  তখন ধরাতলভিন্ন অন্যত্র দৃষ্টি করিতনা,
বালির(ছদ্মনাম) ওষ্ঠাধরদুখানি গোলাবি, রসে টলমল করিত, ছোট ছোট, একটু ঘুরান, একটু ফুলান, একটু হাসি হাসি, সেওষ্ঠাধরে যদি একবার হাসি দেখিতে তবে যোগী হও , মুনি হও, যুবা হও, বৃদ্ধা হও, অন্ধ হও, আরভুলিতে পারিতেনাঅথচ সে হাসিতে সরলতা আর বালিকাভাব ছাড়া আর কিছুই ছিলনা

  
স্মৃতিচিহ্নঅগ্নিতে নিক্ষেপ করিয়া নিঃশেষ করিতে পারিয়াছি স্মৃতিও সন্তাপে পুড়িয়াছে কিন্তুনিঃশেষ হয় না কেন?
স্মরণ এর যন্ত্রণা যে আর সহ্য হয় না


আমিতো সেই অভিমানী


আমার কেন জানি বুক ভরা কষ্ট নিয়েও সবার সাথে হাসিখুশি থাকতে এত ভাল লাগে,কেন জানি সারাদিন হেসে খেলে কাটানোর পর রাতে চুপিসারে কান্নাকরতে খুব ইচ্ছেকরে, আমি এমনই এক অভিমানী ছেলে যে হাজার দুঃখের মাঝে থেকেও
আমি সুখে আছি বলতে পছন্দ করি, আমি সেই অভিমানী যে রাগকে আড়াল করে বলি কোথায়? কিছুতো হয়নিতো, আরে আমিতো সেই অভিমানী যে আজও তোমার জন্য হয়ে আছি শূন্য আকাশের ছিন্ন, বিচ্ছিন্ন, সুতাহিন একটা ঘুড়ি ..................

জ্যোৎস্না হয়ে স্মৃতিটাকে নাড়িয়ে দিয়ে গেলে?

যদিও স্বপ্নের স্থায়িত্ব অনেক কম আর যতোটুকু মনে থাকে তা আরও  কম তার পরেও কেন জানি সেটা মাঝে মাঝে মধুর বেদনার হয়ে যায়, আজ রাতে চাঁদটা অনেকক্ষণ দেখেছিলাম আর অনেকক্ষণ জ্যোস্না দিলো বলে বুঝি তোমায় অনেক বেশী Miss............ করেছি সেইথেকেই বুঝি স্বপ্নটা এতো সুখের মনে হলো, আর যা দেখলাম তা দেখে আবসসও হলো,তুমি চাইলে আমার জীবনেও আজকের রাতের চাঁদের মতো আলো ছড়াতে পারতে, যাইহোক আজকে আর মনটা খারাপ করেনা কারণ এই প্রকৃতির চাঁদ একবারই আকাশে উঠে আর তোমার মতো আতিয়া (ছদ্মনাম) একবারই জীবনে আসে বলে জীবনটা এতো রং বদলাবার অবকাশ পায়, আলোকিত চাঁদের গায়ে তোমার ওই ভবীয়সী মুখখানা দেখলাম আমার কল্পনাতে কেন যে জ্যোস্না হয়ে স্মৃতিটাকে নাড়িয়ে দিয়ে গেলে?

আমার জীবনের রোশনি, নানী (রওশন আরা)

আমি একটা জিনিস কখনো share করিনি আমার তুলা নামটা নিয়া অনেকে ব্যাঙ্গ করে অনেকে বলে এ
আমি একটা জিনিস কখনো share করিনি আমার তুলা নামটা নিয়া অনেকে ব্যাঙ্গ করে অনেকে বলে এই নামটা কেন মুছে ফেলিনা আজ বলছি কেন?এই নামের যিনি জন্ম দিয়েছেন তিনার আজকে অষ্টম মহাপ্রয়াণ দিবস, তিনি কে? বর্ষপঞ্জীতে ৮ তি দাগ পরেছে এই ৮ বছরে তিনার প্রতি আমার সম্মান এতটুকু কমেনি, এই ৮ বছরে সবচাইতে বেশিবার স্বপ্নে দেখা মুখখানি, এই ৮ বছরে যতবার গুমরে গুমরে কেঁদেছি তার বেশীরভাগ কারন তিনি, যেই মুখখানা চোখের সামনে ভেসে উঠলে চোখের পাতা ভেজে আসে এই সেই মুখ তিনি আমার নানী আমার ভালবাসার শিক্ষিকা অথচ তিনি বিন্দুমাত্র শিক্ষিত ছিলেননা, এতো ভালবাসা, এতো আদর, এতো যত্ন, এতো খেয়ালী কেনজানি মনে হই আমার আম্মাও ছিলকিনা সন্দেহতিনি আমারে কতটা ভালবাসতেন তার একটু উদাহরন দেই ছোটকালে আমার মা,বড় মামানি এমনকি আমার দাদির মুখ থেকে শুনেছি আর বড় হয়ে তার প্রমান চোখে চোখে দেখেছি, আমার তুলা কথাটার উৎপত্তিস্থল এই জাইগা , আমার  তুলারে না নিয়ে আসলে আমি কিছু খাবনা কথাটা তিনার কাছে থেকে শুনা আমি না গেলে সবচাইতে ভাল খাবারটা লুকিয়ে রেখে দিত , প্লেট টা যখন খুঁজাখুঁজি শুরুহতো পেলে দেখাযেত এতোটুকুও খাইনি আমার জন্য লুকিয়ে রেখে সব খাবার নষ্ট করেছে , তুলা কিছু খেল কিনা, তুলা কোথাই ঘুমাল, ঘুমানোর সময় গায়ে কিছু আছে কি নাই? কি ঠাণ্ডা কি গরম আমাকে লেপ দিয়ে ঢাকতে আসত বারবার , সকাল বেলা আমার মুখখানা না দেখতে পেলে কি অবস্থা হতো সেতা আমি কাছে থেকে দেখেছি , ছোটোবেলায় তাকে ভয়ও পেতাম কারন তিনি ছিলেন মানসিক প্রতিবন্ধী তাতে কি তার ভালবাসার নিকট সবকিছুই তুচ্ছ নানী তোমার ভালবাসার নিকট আমি পরাজিত আমি কেন যারা এই status খানি পড়বে তারাও তারাও পরাজিত হবে আর যারা ভাই বন আছে তাদেরও ভালবাসত কিন্তু তাদের অনুভূতি আমার চাইতে একটু আলাদা, তুলা (সানোয়ার) , বাঁধো (বাধন), জাপান(রাইহান), জুড়ান (সাওন), আলো (সাথী), বীথী (সুরাইয়া) নামগুলা আজ তার কারনেই অমর, I Respect you নানী, আমার আসল নামটা মুছে গেলেও তোমার দেয়া নামটা কোনদিন মুছবেনা, তোমার স্মরণেই আমি এই নামটা কোনদিন মুছতে চায়না  নানী তুমি  রওশন আরা ছিলেনা তুমি আমার জীবনের রোশনি 

একটা চিঠি আসবে বলে হে বালি (ছদ্মনাম )

গতকালকে এক বড়ভাই রাস্তায় ধরে কথা বলছিল, অনেক কাছেরই ভাই বলা চলে, কথার মধ্যে হঠাৎ একটা প্রশ্ন করে বসলো যে আমার চোখের নিচে কালো দাগ পড়তেছে ক্যান পরীক্ষা নাই রাত জাগার কারণও নাই তারপরও চোখের নিচে কালি ??? ভাইকে উত্তর দিতে পারিনি তবে বলতে পারতাম সবার জীবনে বলার মত একটা গল্প আছে, যারা প্রবল ঘৃণায় উচ্চারণ  করে বলে ভালোবাসা মানিনা তার ঘৃণার পেছনের কারণটা দেখতে গেলে দেখবেন কিন্তু একটা বিশ্রী সত্য লুকিয়ে আছে,বিবেচনা করে দেখবেন আগুনের পেছনে বরফ শীতল কিছু সত্য আছে, কেউ সুখে চোখের নীচে কালির পাহাড়া জমায় না,ভালোবাসা অনেক অদ্ভুত রে ভাই কেউ সুখে রাত জাগেনা, কেউ সুখে পাথর হয় না সবারই কিছু ভুলে যাওয়ার মত গল্প থাকে, কিন্তু ভোলা হয়না! কারণ, সে সব গল্প ভুলতে নেই!!!! আর মণে আসার ক্ষণটা যে গভীররাতে শুরু হয় তখন রাতের নীরবতা কখন শেষ হবে তার ক্ষণ গণনা শুরু করে রাতের শেষ হয় যার মধুর ফলাফল চোখের নীচের কালি..................